গণভবনের সামনে সেনাট্যাংকের পাশে গণঅভ্যুত্থানের বিজয়ে ডা. ইরান ও লেবার পার্টি

প্রকাশিত: 2026-07-23 20:23:51 অফিশিয়াল বিবৃতি
News Image

ছাত্র-জনতার অবিস্মরণীয় ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের মুখে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের পদত্যাগ ও দেশত্যাগের পর রাজধানী ঢাকা রূপ নেয় কোটি মানুষের মিলনমেলায়। ৫ই আগস্ট (সোমবার) অর্জিত দেশের এই ঐতিহাসিক বিজয় মুহূর্তে উৎফুল্ল জনতার সাথে রাজপথে ও গণভবনের সামনে সরাসরি অংশ নেন বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান এবং লেবার পার্টি ও ছাত্রমিশনের হাজারো নেতাকর্মী।

বিকেলে গণভবনের সামনে উপস্থিত হয়ে স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশের আনন্দ উদযাপনের সময় সেনাবাহিনীর ট্যাংকের সামনে দাঁড়িয়ে বক্তব্য ও প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান। তিনি বলেন, "আজকের এই দিনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করল। শত শত ছাত্র-জনতা ও হাজারো মেহনতি মানুষের অবর্ণনীয় আত্মত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হলো এই দ্বিতীয় স্বাধীনতা। স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়ে বীর ছাত্র-জনতা আজ বিজয়ের রক্তিম পতাকা উড্ডীন করেছে।"

তিনি উপস্থিত মুক্তিকামী বীর জনতা ও সেনাসদস্যদের অভিবাদন জানিয়ে আরও বলেন, "ছাত্র-জনতার এই বাঁধভাঙা গণজোয়ার প্রমাণ করেছে, অন্যায় আর বুলেটের আঘাত দিয়ে সত্য ও গণতন্ত্রকে চেপে রাখা যায় না। এ দেশের ছাত্র সমাজ ও মেহনতি মানুষ নিজেদের বুকের রক্ত ঢেলে দিয়ে স্বৈরাচারমুক্ত এক নতুন বাংলাদেশ গড়ার পথ সুগম করেছে।"

গণভবন ও তৎসংলগ্ন এলাকা জুড়ে তখন কোটি মানুষের ঢল নামে। বাংলাদেশ লেবার পার্টি, বাংলাদেশ ছাত্র মিশন ও যুব মিশনের নেতাকর্মীরা সাধারণ মানুষের সাথে উল্লাস ও কোলাকুলি করেন। সেনাবাহিনীর ট্যাংকের ওপর ও সামনে জাতীয় পতাকা উঁচিয়ে তারা 'ছাত্র-জনতা এক হও', 'দ্বিতীয় স্বাধীনতা জিন্দাবাদ' এবং 'গণতন্ত্র মুক্তি পেল' স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত করে তোলেন।